বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৫
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
চট্টগ্রাম ঃ বন্দর নগরীর চকবাজার থানা এলাকায় পুলিশের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার পর থেকে এই অভিযান শুরু হয়। তবে অভিযানে এ পর্যন্ত কতজনকে আটক করা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যাযনি।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (বন্দর-পশ্চিম) নাজমুল হাসান বিষয়টির সত্যতা সংবাদমাধমকে নিশ্চিত করেছে।
গত ৮ নভেম্বর থেকে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে র্যাব-পুলিশ-ডিবি-এপিবিএন ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে শুরু হয়। ওই দিন রাতে সিআরবিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। এরপর শুক্রবার দুপুরে নগরীর আন্দরকিল্লায় তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছিল। নাশকতাকারীদের মনে ভীতি তৈরি ও নাশকতা দমনের কৌশল হিসেবেই মূলত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে যৌথ বাহিনীর এ অভিযান বলে জানা গেছে।
এমনিতে গত ২৫ অক্টোবর থেকে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় কঠোর নিরাপত্ত বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে চেক পোস্ট ও টহল পুলিশের সংখ্যা। নগরীর সব সরকারি স্থাপনায় সার্বক্ষনিক পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। বিশেষ করে বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, গুরুত্বপূর্ণ সব সরকারি স্থাপনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া পতেঙ্গায় অবস্থিত তেল স্থাপনাসহ কেপিআইগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুরো নগরীকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার কাজও শুরু করেছে সিএমপি।
এরমধ্যে নতুন করে গত মঙ্গলবার থেকে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ডগ স্কোয়াড মোতায়ন করেছে বিজিবি। দুটি প্রশিক্ষিত ডগের সমন্বয়ে ১২ জন বিজিবি সদস্যের এ ডগ স্কোয়াড বিমান বন্দর দিয়ে আসা মাদকদ্রব্য ও বিস্ফোরক উদ্ধারে কাজ করছে। তারও আগে থেকে বিমান বন্দরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি এপিবিএনের প্রায় দুইশ বাড়তি ফোর্স মোতায়ন রয়েছে। যাত্রী প্রবেশ ও বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের সর্বোচ্চ সর্তকতার সাথে তল্লাশি করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বিমান বন্দর নগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলার দাবি করছে পুলিশ।
এদিকে সাভারের আশুলিয়ায় চেক পোস্টে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে শিল্প পুলিশের কনেস্টেবল মুকুল মিয়া নিহত হওয়ার পরপর দেশজুড়ে নিরাপত্তা তল্লাশি জোরদার করার নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি দেয়া হয় বিশেষ নির্দেশনা। এছাড়া তল্লাশির সময় শিথিলতা পরিহার করে যথাযত সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরের এক আদেশে। তল্লাশির সময় কমপক্ষে একজন অতিরিক্ত উপ কমিশনারকে (এডিসি) সেটি তদারকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশ সদস্যদের গুলিভর্তি অস্ত্র, বুলেট প্রুপ জ্যাকেট, হেলমেট ও ল্যাগ গার্ড পরিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রয়োজনে আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোঁড়ার বিষয়টিও নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশ সদস্যদের। সূত্র বাংলামেইল
সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন
