৬ উপায়ে চিনতে পারেন সাইকোপ্যাথ

শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৫

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

৬ উপায়ে চিনতে পারেন সাইকোপ্যাথ

লাইফ স্টাইল ডেস্ক  : কানাডার দু’টি বৃহত্তম রিটেইল সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন এন্ড্রু ফাস। একবার তিনি তার এক সহকর্মীর দুর্নীতি ফাঁস করে দেন। এরপরই তার ফোন, ইমেইল ফাঁস করা হয়। এমনকি ওই সহকর্মীর কাছ থেকে হত্যার হুমকিও পান তিনি। বিশ্বজুড়ে কর্মক্ষেত্রে এরকম সাইকোপ্যাথ সহকর্মী থাকার ঘটনা বিরল নয়। এ ধরণের সাইকোপ্যাথ সহকর্মীদের ব্যাপারে সতর্ক করতে এন্ড্রু ফাস একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম ‘দ্য বুলি’স ট্র্যাপ’।

বইয়ে এন্ড্রূ এমন কিছু লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন, যা দেখে সাইকোপ্যাথ চেনা সম্ভব।

১. এরা সাধারণত বিমর্ষ প্রকৃতির হয়। কাউকে সম্মান করার বদলে এরা তাদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে। কাউকে সংশোধন করার বদলে তাকে নিঃশেষ করে দেওয়ার পক্ষে এরা।

২.সাইকোপ্যাথরা সবসময়ই নিজেকে ভালো বা সঠিক প্রমাণের মরিয়া চেষ্টা করে। মুখরোচক গল্প, অঙ্গভঙ্গি বা আপাত বিশ্বাসযোগ্য কোনো গল্প বা ঘটনা দিয়ে তাদেরকে সঠিক প্রমাণের চেষ্টা করে। তাদের সাবলীল মিথ্যা উপস্থাপনায় অনেকেই প্রাথমিকভাবে তাদেরকে সঠিক বলে মনে করতেও পারেন।

৩. সাইকোপ্যাথরা নিজেদেরকে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ভাবেন যে, তারা ভাবেন, কোনো নিয়মেই তাদের আবদ্ধ করা যাবে না। প্রচলিত আইনকে নিজেদের জন্য অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে তারা। বরং তারা ভাবেন, অন্যের তৈরী আইনে কেন, আমি চলব আমার নিজের আইনে।

৪. ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা বলা, একটি মিথ্যাকে ঢাকতে গিয়ে বারবার মিথ্যা বলা সাইকোপ্যাথের লক্ষন। ফাস তার বইয়ে এ লক্ষণের সাথে সাথে আরো যোগ করেছেন, বারবার মিথ্যা বললেও এদের মিথ্যা যে ধরা পড়ে যাচ্ছে, বা কেউ তাদের মিথ্যাটা ধরতে পারছে, সেটা তারা বোঝেনা।

৫. আত্নকেন্দ্রিকতা। সাইকোপ্যাথরা সবসময়ই নিজেকে নিয়ে ভাবে। চলাফেরা, আচরণ, জীবণ ধারণে অন্যের জন্য কোনো ছাড়সুলভ মনমানসিকতা দেখায়না তারা। নিজের যা ইচ্ছা তাই করে তারা। তার এ কাজে অন্যের ক্ষতি হচ্ছে কিনা, সেটা বিবেচনা করেনা সাইকোপাথরা।

৬. তিনটি ক্ষেত্রে এরা একেবারে অনন্য। কৌশলে কোনো কিছু পরিবর্তন করে ফেলা, কাউকে পথবিচ্যুত করা এবং প্রতারণা করা।

সূত্র – ইনডিপেনডেন্ট.সিও.ইউকে

সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

জন মন্তব্যকারী




Leave a Reply

Inline