তনু হত্যার বিচার নিয়ে টালবাহানায় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার ক্ষোভ ও প্রতিবাদ।
কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী তনুর মৃতদেহের দ্বিতীয় দফায় ময়না তদন্তে মৃত্যুর সঠিক কারন বের করতে না পারায় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা সোহেল এর বরাতদিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে সংস্থাটি এমনটা জানান।
তনু নিহত হবার পর লাশ উদ্ধার করে প্রথম ময়না তদন্ত করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের এক চিকিৎসক। ওই ময়নাতদন্তে তনুর মাথায় জখমের কথা গোপন করা হয়। আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফা ময়না তদন্ত প্রতিবেদনেও মৃত্যুর সঠিক কারন নাকি বের করা সম্ভব হয়নি। তনুর শরীরে আঘাতের চিহ্নসহ নানা আলামত থাকা স্বত্তেও ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকদের এমন দাবি একেবারেই মেনে নেয়া যায় না।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা মনে করে, তনু ধর্ষণ ও হত্যার মতো একটি স্পর্শকাতর বিষয়কে এড়িয়ে যাওয়ার বা ধামাচাপা দেয়ার বিষয়টি আরো জোড়ালো ভাবে প্রমান করে যে তনু হত্যার খুনিদের বাঁচানোর সার্বিক ভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে। তনু হত্যার সঠিক বিচারের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরী। সেই সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অতি দ্রুত খুনীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি বিধান করা জরুরী।
তনু হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে বিভিন্ন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও জনগনকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে খুনীদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।
বার্তা প্রেরক
মোস্তফা সোহেল
নির্বাহী পরিচালক
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা

