বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
ডেস্ক সংবাদ : বিমানের ভেতর লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমান চোরাই স্বর্ণ উদ্ধার অভিযানে ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টিমকে সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার রাতে মিঙ্গাপুর থেকে আগত এসকিউ-৪৪৬ এয়াক্রাফটে ১০০ কেজিরও বেশি চোরাই স্বর্ণ আসার সংবাদ ছিল কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টিমের কাছে। তথ্য অনুযায়ী এয়ারক্রাফটটি রাত সাড়ে ১০টায় হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ টিম সেখানে তল্লাশি চালাতে গেলে বাধা দেয় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।
প্রিভেনটিভ টিমের সহকারী কমিশনার শহিদুজ্জামান সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এর আগেও গত ৩ নভেম্বর একটি এয়ারক্রাফটে স্বর্ণ উদ্ধার অভিযানে বাধা দেয় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। ঐ সময় প্রিভেনটিভ টিমের কাছে তথ্য ছিল এয়ারক্রাফ্টটিতে ১৩৭ কেজি স্বর্ণ আছে এবং সিভিল এভিয়েশনের সিকিউরিটি অফিসাররা এই চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ত। তারা আমাদেরকে এয়ারক্রাফটটে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। আমাদেরকে ভেতরে প্রবেশ করতে তারা যতক্ষণ আটকে রেখেছিল ঐ সময়ের মধ্যে এয়ারক্রাফট থেকে স্বণগুলো পাচার হয়ে যায়। যা আমাদের সোর্স আমাদেরকে নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে ঐ স্বর্ণের কিছু অংশ মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তরা থেকে উদ্ধার করে।
মঙ্গলবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিভিল এভিয়েশনের ডেপুটি সিকিউরিটি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অ্যাসিস্টেন্ট সিকিউরিটি গার্ড শাহজাহান এবং সিকিউরিটি সুপারভাইজার এস এম আলী জিন্নাহ আমাদেরকে এয়ারক্রাফটের ভেতরে তল্লাশি চালাতে বাধা দেয়। ‘আপনারা কোন আইনে আমাদেরকে তল্লাশি করতে বাধা দিচ্ছেন?’ তাদেরকে এ কথা বলার পর তারা বারবার বলতে থাকে, আমরা পরিচালকের নির্দেশে কাজ করছি। সিভিল এভিয়েশনের সিকিউরিটি কর্মকর্তাদের সাথে যখন আমাদের এ নিয়ে বিতণ্ডা হচ্ছিল ঐ সময়ে মধ্যে আমাদের কাছে সংবাদ আসে এয়ারক্রাফট থেকে স্বর্ণ বের হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, কাস্টমস অ্যাক্ট এর সেকশন ১৬৪ তে বলা আছে কেবল মাত্র কাস্টমস অফিসাররাই যে কোন সময় এয়ারক্রাফটের ভেতর তল্লাশি করতে পারবেন। এদের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুস্পষ্ট অভিযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।
তবে এ বিষয়ে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কেউ বক্তব্য দিতে চাননি।









