সীমা লঙ্ঘন ও আমাদের সমাজবিবেক

ctgbarta24.com

বুধবার, ১ জুন ২০১৬

সীমা লঙ্ঘন ও আমাদের সমাজবিবেক

অনেক দিন ধরে বিভিন্ন ঘটনা বারবার সমাজবিবেকের কাছে প্রশ্ন তুলে যাচ্ছিল। কখনো ক্বচিৎ কোনো কোনো ঘটনা সমাজবিবেককে নাড়া দিয়ে প্রতিকার চাইছিল। এ ক্ষেত্রে সমাজের অবক্ষয় ও অক্ষমতা বোঝা যাচ্ছিল যখন একের পর এক খুন, ধর্ষণ, দখল, উচ্ছেদ, পরিবেশ নষ্ট করার মতো অপরাধ চলতে পারছে বিনা বাধায়। ক্ষমতা ও অপরাধের বেপরোয়া দম্ভের কাছে সমাজ বারবার পর্যুদস্ত হয়েছে, কোনো প্রতিরোধই দাঁড় করাতে পারেনি।

কিশোর ত্বকী হত্যার পরে প্রতিবাদ চলেছিল দীর্ঘদিন, কিন্তু তা না পেরেছে এই অপরাধের দুর্গে বিন্দুমাত্র ফাটল ধরাতে, না পেরেছে প্রত্যক্ষ হত্যাকারীদের কিংবা পরোক্ষ প্রশ্রয়দাতাদের বিচারের আওতায় আনতে। এর অনেক দিন পরে কুমিল্লার তরুণী তনুর হত্যা সমাজকে আরেকবার প্রতিবাদী করে তুলেছে। এ আন্দোলন এখনো চলছে। সামাজিক প্রতিরোধের গুরুত্ব কিছুটা হলেও বোঝা যাচ্ছে ডিএনএ রিপোর্ট সম্পন্ন হওয়ায়। তাতে এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো যে আমাদের অভাগী কন্যা তনু ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর খুন হয়েছে। এতে ধরা সহজ হবে ওর ধর্ষক-হত্যাকারীদের। সমাজ কি পারবে না বিচারের চাপ এবার একটু জোরদার করতে?

নারায়ণগঞ্জে একজন প্রধান শিক্ষক সেখানকার একজন সাংসদের হাতে চরমভাবে লাঞ্ছিত-অপমানিত হওয়ার ঘটনার তাৎপর্য ব্যাপক। এটি খুন নয়, খুনের অধিক। আমাদের সমাজের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, আদর্শ সবই খুন হয়েছে এ ঘটনায়। সম্ভবত এ কারণে এ ঘটনার বিরুদ্ধে সমাজ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে। আশা করছি, এ ঢেউ সুনামির মতো একের পর এক আছড়ে পড়ে অন্যায় দম্ভের দেয়াল গুঁড়িয়ে দেবে। এই প্রথম সরকারের মন্ত্রীরা স্পষ্টভাবে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানাচ্ছেন, এর বিরুদ্ধে তাঁদের এবং সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। সমাজ থেকে রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলের বিচ্ছেদ কখনো মঙ্গল বয়ে আনে না। যত তাড়াতাড়ি ক্ষমতার অংশীদারেরা নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতা উপলব্ধি করেন, ততই জনগণের কল্যাণ।
শ্যামল কান্তি ভক্তের অবমাননার ঘটনাটির অন্যদিকটিতে যেন গুরুত্ব দিতে আমরা না ভুলি। আমরা তাঁর মতো চরিত্রদের সম্পর্কে জানি—এঁরা হলেন সনাতন মূল্যবোধের জাত শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক। নিজ দায়িত্বে সব ছাত্র ও প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক, নিজের বুদ্ধিতে চলেন, তাই একটু একলা, পড়ান ভালো, দায়িত্ব পালনে আন্তরিক, সেই পুরোনো নীতিতে বিশ্বাসী ‘শাসন করা তারেই সাজে সোহাগ করে যে গো’। এখন সময় এসেছে আপস করে মানিয়ে চলার, সাংসদ ও তাঁর চেলাচামুণ্ডাদের খাতির করে চলার, প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে তাঁদের ইচ্ছাপূরণের বশংবদটি হয়ে থাকার।

সাংসদ সেলিম ওসমান ও তাঁর শাগরেদরা তো জানেন এলাকার দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হিসেবে তাঁদের ইচ্ছাতেই সব হবে এবং হতে হবে। নীতি বা বিবেককে তাঁরা সহ্য করবেন না। তাঁদের একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ দেখায় যে প্রধান শিক্ষক, তাঁকে হটাতে হবে। পত্রিকায় দেখা গেল, এযাবৎ তাঁকে কুড়িবার শোকজ করে, নানা তদন্তের মুখোমুখি করেও বাগে আনা যায়নি।
কিন্তু শ্যামল কান্তি নাটকের শেষ অঙ্ক দ্রুতই সম্পন্ন করতে উৎসুক সাংসদ ও তাঁর দলবলের তর সইছিল না। তাঁরা মোক্ষম অস্ত্রটি হানলেন—ধর্মের অবমাননা, তাও আবার একজন সংখ্যালঘু হয়ে। তাঁরা ব্যবহার করলেন মসজিদের মাইক, ধর্ম রক্ষায় ছুটে এল অনেক মানুষ সত্যাসত্য বিচারের তোয়াক্কা না করেই। সেটা সকালের ঘটনা, পুলিশ শ্যামল বাবুকে পাহারায় রেখে অবস্থা সামলে নিয়েছিল। কিন্তু এভাবে নাটকের কাঙ্ক্ষিত সমাপ্তি না ঘটায় অগত্যা সাংসদ সদলবলে বিকেলে এসে হাজির হন ঘটনাস্থলে। দুটি কাজ করলেন—ধর্মীয় উসকানিকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করলেন এবং একজন শিক্ষককে সবচেয়ে অবমাননার শিকার হতে বাধ্য করলেন।

তাঁর অস্ত্র বুমেরাং হয়েছে কি? আমরা এখনো আশাবাদী যে তা হবে। যদিও অভিযুক্ত সাংসদ বেপরোয়া, তাঁর পক্ষে কিছু ব্যবসায়ী সংগঠনকে দাঁড় করিয়েছেন, ধর্মীয় কিছু সংগঠনও এ সুযোগে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে নেমেছে। সরকারি দলের কেউ কেউ ‘ব্যক্তিগত দায়িত্বে’ সাংসদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।

তবে আশার কথা, প্রকৃত ধার্মিক আলেমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন, কেউ কেউ মসজিদের মাইকের অপব্যবহার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগের নেতারাও এখনো অবস্থান ঠিক রেখেছেন। আর শিক্ষিত-অশিক্ষিত ধর্মনির্বিশেষে সমাজ এখনো বিপুলভাবে এ ঘটনায় মর্মাহত, অপরাধীর উপযুক্ত শাস্তিসহ সুবিচার চায়। আরেকটা বিষয় পরিষ্কার হলো, সরকার হেফাজতে ইসলামের প্রতি যতই তোয়াজ-তোষণের নীতি অনুসরণ করুক না কেন, তারা কিন্তু ঠিকই ফিকিরে আছে যেকোনো মওকায় সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য।

কথা কিন্তু এখানেই শেষ হয় না। কারণ, ধর্মের দোহাই দিয়ে কথা বললে সমাজের হতবুদ্ধিতা যদি চলতে থাকে, তবে সেই সমাজ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়বে। ক্ষতি হবে যথার্থ ধর্মসাধনারও। দেখা যাচ্ছে কোনোভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগ ছড়াতে পারলে সমাজবিবেক অমনি কুঁকড়ে যায়। এদিকে সরকার ঘোষণা দিয়েছে, বিশিষ্টজনেরাও জানেন আজকের পৃথিবীতে এগিয়ে যেতে হলে মেধাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মেধাচর্চার অর্থ হলো জ্ঞানচর্চা।

এখানে স্পষ্টভাবে একটি প্রশ্ন তোলা যায়—জ্ঞানকে কি সীমাবদ্ধ গলিতে বাঁধা যায়? না, জ্ঞান হলো অসীম এবং সে কারণে সর্বদা বিকাশমান। জ্ঞানের ও সৃজনশীলতায় সীমা টানার কোনো পথ নেই। মানুষের জন্য সীমা টানবে সামাজিক রীতিনীতি মূল্যবোধ ইত্যাদিতে তৈরি সামাজিক সংস্কৃতি। জ্ঞানের এই অসীমতার সঙ্গে ইসলামের মৌলিক নীতির কোনো বিরোধ নেই। কেননা, সীমাবদ্ধ আয়ুর অধিকারী কোনো মানুষ অসীম হতে পারে না। কিন্তু জ্ঞানের অসীম সমুদ্রই তাকে পাড়ি দিতে হবে। সেটা ইসলামেরও শিক্ষা। তাই হাদিসে দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত, অর্থাৎ জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি জ্ঞানসাধনার কথা বলা হয়েছে। জ্ঞানার্জনের জন্য বিধর্মীর দেশে যেতেও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, জ্ঞানী ব্যক্তিদের শহীদের চেয়ে বেশি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। জ্ঞানসাধনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চলমান একটি প্রক্রিয়া। কোনো একক ব্যক্তি অসীম জ্ঞানের অধিকারী হতে পারে না। এই পরম্পরা চলমান থাকলেই সমাজের বিকাশও চলমান থাকে।
আমরা জ্ঞানী কিন্তু আত্মম্ভরী শয়তানের পরিণাম জানি, পশ্চিমা সাহিত্যের চরিত্র মেফিস্টোফেলিসের কথা জেনেছি মহাকবি গ্যাটের অমর সৃষ্টি ডক্টর ফাউস্ট পড়ে। এই আখ্যান নিয়েই শেক্সপিয়ারের সমসাময়িক ইংরেজ নাট্যকার বেন জনসনও লিখেছেন নাটক। জ্ঞানকে সঠিকভাবে ব্যবহার না করে ব্যক্তিস্বার্থে হীন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করলে পরিণতি ধ্বংসাত্মক হয়। তাই মানুষকে সংযত আচরণ এবং সীমা মেনে চলার উপদেশ দেওয়া হয় সব সময়। এর সূত্র মেলে ধর্মগ্রন্থে। সীমা ব্যক্তির জন্য, ব্যক্তি দ্বারা গঠিত সমাজের জন্য, যা ব্যক্তিনিরপেক্ষ তাকে এর আওতায় বাঁধতে চাইলে পরিণামে মানুষেরই বিকাশ রুদ্ধ হয়ে পড়বে। এখানেই মানুষকে প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে। সমাজ বলুন, সভ্যতা-সংস্কৃতি বলুন সবেরই বিকাশ তো নির্ভর করে ব্যক্তিমানুষের প্রজ্ঞার ওপর।

অবিমৃশ্যকারিতা বাড়লে সমাজের অবক্ষয় হবে। প্রজ্ঞা আমাদের সাহায্য করে সীমা ও অসীমের পার্থক্য বুঝতে, আমাদের অসীম জ্ঞানের রাজ্যে বিহার করেও নিজের সীমা ও অবস্থান বুঝে নিতে। সব ধর্মেই অনেক সাধক ব্যক্তিত্বের দেখা মেলে, যাঁরা জ্ঞান ও শিল্পসাধনার মধ্যে আধ্যাত্মিক সাধনার আনন্দ ও সন্তুষ্টি লাভের কথা বলেন।

আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ে কালে কালে কিছু ধর্মান্ধ মানুষ জ্ঞান ও সৃজনশীলতার মূল্য উপলব্ধি না করে শুধু আচার প্রথা পালন ও অন্ধবিশ্বাসের মধ্যে ধর্মচর্চাকে আবদ্ধ করে রাখে ও অন্যদের ওপর সেই বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দিতে চায়। যে সম্প্রদায় বা জাতি এভাবে জ্ঞানসাধনা ও সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে বিকাশের সম্ভাবনা রুদ্ধ করে দেয়, সেই সমাজের অবক্ষয় ঠেকানো অসম্ভব। মানবসমাজ তো স্রোতস্বিনীর মতো থেমে থাকলে দাম জমবে, জল নোংরা হবে, দূষিত হবে। সেলিম ওসমানের কীর্তির পরে আমাদের সমাজের দূষণ আর পচন কি অস্পষ্ট আছে? মিথ্যাচার, কপটতা, অন্যায়, বিচারহীনতা, বঞ্চনা, খুন, ধর্ষণ, জবরদখলের মহামারি চলছেই। মোট কথা, সমাজে মিথ্যা ও কপটাচার, ক্ষমতার দম্ভ ও অপব্যবহারের শিকড় গভীরে ছড়িয়ে পড়েছে। মূল কারণ মানুষের জ্ঞানতাত্ত্বিক বিকাশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে, সৃজনশীলতার ওপর মূঢ়তার বিকার আঘাত হানছে। সামগ্রিকভাবে যখন মুক্তবাজারের অবাধ প্রতিযোগিতার মধ্যে সর্বত্র মানবসমাজে ভোগদখলের প্রবণতা বাড়ছে, বেড়ে চলেছে অর্থনৈতিক আধিপত্যের মুক্ত প্রতিযোগিতা, তখন সংঘাত বাড়ছে। মুসলিম বিশ্বে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের উপদ্রব বাড়ার পেছনে পশ্চিমের ভূমিকা অনস্বীকার্য, তবে নিজেদের স্থবিরতা ও অবক্ষয়ের দুর্বলতা তাতে ঢাকা যাবে না।

এ কথা সত্য যে জ্ঞান স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্রের চেয়েও অনেক শক্তিশালী। কিন্তু পশ্চিমের জ্ঞানচর্চার অপব্যবহারের ফসল আগ্নেয়াস্ত্রগুলো আজ ধর্মান্ধ ইসলামি জঙ্গিদের হাতে উঠে এসেছে এবং তা ব্যবহৃত হচ্ছে ইসলামের শিক্ষায় যে জ্ঞানের শক্তি অর্জনের কথা বলা হয়েছে, তার উৎসগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য। অথচ একসময় মুসলিম জ্ঞানতাপসদের সৃষ্ট জ্ঞান কাজে লাগিয়েই ইউরোপ তার অগ্রবর্তিতা নিশ্চিত করেছিল। একদিন কাব্যে সাহিত্যে দর্শনে বিজ্ঞানে জ্ঞানতাত্ত্বিক চর্চায় আরব থেকে স্পেন ও পারস্য হয়ে গোটা মধ্য এশিয়ায় বিরাট জাগরণ ঘটেছিল। মুসলিম জ্ঞানসাধকদের এই অসামান্য অর্জনের কারণ, তাঁরা অসীম জ্ঞানের সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন। যেদিন থেকে জ্ঞানের এই মুক্তচর্চা ভয়ের আবরণে ঢেকে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, সেদিন থেকে মুসলিম সমাজের অবক্ষয়, পিছিয়ে পড়ার শুরু। ইউরোপের অন্ধকার মধ্যযুগের পেছনেও গোঁড়া পাদরিদের ধর্মান্ধতায় সৃষ্ট ভয় ও অবরুদ্ধতাই কাজ করেছিল।

আমাদের সমাজেও কান পাতলে আমরা ধর্মান্ধদের নসিহত-বক্তৃতায় প্রধানত ভয় ছড়ানো আর ভয় দেখানোর কথাই শুনতে পাই, বিধর্মীর প্রতি অশালীন আক্রমণ শুনতে পাই। এসব শুনে সমাজ যদি হতবুদ্ধি ও স্থবির হয়ে পড়ে, তবে একশ্রেণির ক্ষমতান্ধ মানুষের দৌরাত্ম্য বাড়তে থাকে। তাদের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না, সমাজের নীতিরীতির তোয়াক্কা তারা করে না, তারা অসীমও বোঝে না, সীমাও মানে না। সমাজেরও অনাচার সহ্য করার হয়তো একটা সীমা আছে। সাংসদ সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জে সেই সীমা লঙ্ঘন করেছেন। তাই আমরা অবশেষে সমাজবিবেকের সাড়া পাচ্ছি। এটুকু আশা পুঁজি করে যথাযথভাবে তা খাটিয়ে আমরা কি সামনে এগোতে পারি না?

লেখক:

আবুল মোমেন

কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক।

সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ

ডিজিটাল বাংলাদেশের এনালগ প্রেস উইং! তানভীর আহমেদ সোমবার, ২৩ মে ২০১৬ তানভীর আহমেদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং প্রতিমন...
‘বাবা মিস ইউ , আই অ্যাম লোনলি’ নূহাশ হুমায়ুন... রবিবার, ২২ মে ২০১৬ সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রয়াত বাবা হুমায়ুন আহমেদের কফিন জড়িয়ে ধরে অজোরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন পুত্র নুহাশ হুমায়...
শ্রদ্ধেয় শ্যামল কান্তি স্যার সংখ্যালঘুর গল্প শুনুন বৃহস্পতিবার,  ১৯ মে ২০১৬ সিটিজিবার্তা২৪ডটকম রনিয়া রহিম: বিংশ শতাব্দীর শুরুতে আমেরিকায় আর দাসপ্রথা নেই, কিন্তু কাল...
শিক্ষক লাঞ্চনা: আসলে কি ঘটেছিল সেদিন প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মে ২০১৬ সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক ঃ ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ হাই স্কুলের প...
নুরুল আজিম রনির আসলে দোষ গুলো কি? সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম বুধবার, ১৮ মে ২০১৬ মাকসুদা সুলতানা ঐক্য: নুরুল আজিম রনির মুক্তির দাবিতে যখন সবাই রাজপথে আন্দোলন করতে করতে ক্ল...



Leave a Reply