দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন আলোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের। রোববার দুপুরে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে দুদক সচিব বরাবর সম্পদের হিসাব পেশ করেন বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
গত ১৯ মে সাত কর্মদিবসের মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব দিতে বনানীতে মুসার তার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ড্যাটকোতে নোটিশ পাঠায় দুদক। এ নোটিশের চারদিন পর দুদকের কাছে তিনি আরো সাত কর্মদিবস সময় আবেদন করেন। গত ৫ মে কমিশনের দৈনন্দিন সভার সিদ্ধান্তে মুসা বিন শমসেরের নামে সম্পদের নোটিশ জারির অনুমোদন দেন দুদক চেয়ারম্যান মো: বদিউজ্জামান।
এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর দুদক মুসা বিন শসমেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, সুইসব্যাংকে জব্দকৃত অর্থ অবমুক্ত হলে এসব অর্থ পদ্মাসেতু নির্মাণসহ মানবকল্যাণে ব্যয় করবেন।
সুইস ব্যাংকে ‘৭ বিলিয়ন ডলার’ অর্থের অনুসন্ধানে গত বছর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এ পরিমাণ অর্থের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সম্প্রতি তিনি আরো ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারসহ মোট ১২ বিলিয়ন ডলার সুইস ব্যাংকে জমা রয়েছে বলে দুদককে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মুসা দুদককে জানিয়েছেন, সুইস ব্যাংকে এ অর্থ জব্দ অবস্থায় রয়েছে। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ থেকে তার কোনো অর্থই সুইস ব্যাংকে জমা হয়নি। এসব অর্থ বিদেশে উপার্জিত।
মুসার দেয়া এসব তথ্যের পর আইনি প্রক্রিয়ায় প্রকৃত অর্থের পরিমাণ ও উৎস জানতে সুইস ব্যাংকে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক।
এদিকে তার নামে ১২শ বিঘা জমি রয়েছে বলেও দুদককে জানিয়েছেন মুসা। এসব জমির অধিকাংশই বর্তমানে গাজীপুর জেলার বিভিন্ন মৌজায় তফসিলভুক্ত। তিনি জানান, দেশে না থাকায় এসব জমির খাজনা পরিশোধ করে নামজারি করা সম্ভব হয়নি। তবে গত কয়েক বছরে দেশের অবস্থানের কারণে জমিগুলো পুনরুদ্ধারে চেষ্টা করছেন।
মুসা বিন শসমেরের সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান্ করছেন দুদকের উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদিন শিবলী।
Ctgbarta24.com 24 hours Online News Paper