শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০১৫
সিটিজিবার্তা ২৪ ডটকম
ডেস্ক সংবাদ : বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন, মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদের তরফ থেকে প্রাণভিক্ষার আবেদন করা হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন তারা।
তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, সেই অনুযায়ী সব কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
১৯৭১ সালে মানবতা বিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত এই দুজন রায় পুর্নবিবেচনার যে আবেদন করেছিলেন, তা গত বুধবার আপীল বিভাগ নাকচ করে দেয়।
গতকাল বিচারকরা এই রায়ের নথিতে স্বাক্ষর করেন। এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত হয়ে গতকালই ফাঁসির দন্ডের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে।
এদিকে দন্ডপ্রাপ্ত দুজনের পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আইনজীবীরা আদালতে গিয়ে এদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন। তবে এখনো পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি দলের সেক্রেটারি জেনারেল। অন্যদিকে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরিও বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সিনিয়র নেতা এবং সাবেক মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার এই দুজনের সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।
দুই পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ তাঁদের এই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন।
প্রথমে সকালে মিস্টার চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য কারাগারে যান।
তবে দেখা করে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কোনও কথা বলেননি তারা।
ফাঁসির দণ্ড পাওয়া সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীকে বুধবার কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়।

এরপর মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরাও তার সঙ্গে দেখা করতে যান।
এই দুটি রায় ঘোষণার আগে থেকেই ঢাকা শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশে ফেসবুক, ভাইবার সহ বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।
সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন