বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
লাইফ স্টাইল : খাবারে লবণ ছাড়া স্বাদ আসে না। তবে বেশি লবণ খাওয়া অনেক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে ফেলে। তাই খাবারে কম লবণ ব্যবহারের পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা। এক চামচ লবণে থাকে দুই হাজার মিলিগ্রাম সোডিয়াম। বলা হয়, একজন ব্যক্তির প্রতিদিন দুই হাজার ৩০০ মিলিগ্রামের নিচে লবণ খাওয়া প্রয়োজন। এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার, প্যাকেটজাত খাবার, ফাস্টফুডেও অনেক লবণ ব্যবহার করা হয়। এইসব খাবারগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো বলে মনে করেন গবেষকরা।
অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার ফলে শরীরে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। এটি রক্তচাপ বাড়ানো, হাড়কে দুর্বল করে দেওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে। এখন জেনে নিই বেশি লবণ খেলে শরীরের কী ক্ষতি হয় সেসব কথা।
১. বেশি পানি পিপাসা
বেশি লবণ খেলে পিপাসা বাড়ে। কারণ এটি দেহের কোষে তরলের ভারসাম্য রক্ষায় সমস্যা করে। এতে পিপাসা বেশি পায়। আর পানি যেমন শরীরের জন্য উপকারি তেমনি অতিরিক্ত পানি পান কিডনিতে চাপ তৈরি করে।
২. হাত ও পায়ে ফোলাভাব
বিশেষজ্ঞরা বলেন, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কখনো কখনো হাত ও পায়ে পানি জমায়। এর জন্য ফোলা ভাব হয়। এটি কিডনি রোগী ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য খুব ঝুঁকির কারণ।
৩. লবণযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছে
বেশি লবণ খেলে আরো বেশি লবণযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছে হয়। যেটি পুনরায় সমস্যা তৈরি করে। এতে কম লবণ দেওয়া খাবারগুলো আর স্বাদ লাগে না।
৪. উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়। কারণ এটি রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলুরের সমস্যা হতে পারে।
৫. হাড় দুর্বল করে
বেশি মাত্রায় লবণ খেলে হাড়ের ক্যালসিয়াম প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি মাসিক বন্ধের পর, যখন নারীদের হাড়ের ক্যালসিয়াম কমে যায়, তখন বেশি লবণ খাওয়া পরিহার করা প্রয়োজন। এ ছাড়া অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।
সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন
