বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৫
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম ঃ দেশের ২৩৬টি পৌরসভায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ। প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ৩ ডিসেম্বর। ইতিমধ্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা মনোনয়নের সব কাগজপত্র সংগ্রহে ব্যস্ত। জেলা/উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে বিনামূল্যে মনোনয়ন সংগ্রহ করা যাবে। তবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার/ওয়ার্ডের ভোটার তালিকার সিডি কিনতে হবে। প্রতি ওয়ার্ডের ভোটার তালিকার সিডির দাম ৫০০ টাকা।
মনোনয়নপত্র পূরণের নিয়ম
মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের মনোনয়নপত্র তিনটি খণ্ডে বিভক্ত। এর মধ্যে প্রথম খণ্ডের প্রথম অংশ প্রস্তাবকারীর পূরণ করতে হবে, দ্বিতীয় অংশ সমর্থনকারীকে পূরণ করতে হবে এবং তৃতীয় অংশ মনোনীত ব্যক্তিকে পূরণ করতে হবে। মনোনয়নপত্রের দ্বিতীয় খণ্ডে রয়েছে প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য। এছাড়া তৃতীয় খণ্ড রিটার্নিং অফিসারকে পূরণ করতে হবে।
যেসব কাগজ জমা দিতে হবে
হলফনামা (প্রার্থীর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যায়িত সনদপত্র সংযুক্ত করতে হবে)। নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহ করার জন্য সম্ভাব্য অর্থ প্রাপ্তির উৎস/উৎসসমূহ ও সম্ভাব্য ব্যয়ের বিবরণী। ১২ ডিজিটের টিআইএন সনদের কপি এবং সম্পদ বিবরণী সম্বলিত সর্বশেষ দাখিলকৃত আয়কর রিটার্নের রসিদের কপি। জামানতের টাকা জমার ট্রেজারি চালান/তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার/পোস্টাল অর্ডারের কপি।
রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রার্থিতার স্বপক্ষে ১০০ জন ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকাও মনোনয়নের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ও সমর্থকের যোগ্যতা
কোনো ভোটার প্রস্তাবকারী অথবা সমর্থনকারী হিসেবে মেয়র অথবা সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর বা সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদের একটির বেশি মনোনয়নপত্রে তার নাম ব্যবহার করবেন না। যদি কোনো ভোটার একই পদের একটির বেশি মনোনয়নপত্রে তার নাম ব্যবহার করেন, তা হলে সব মনোনয়পত্র বাতিল করা হবে।
জামানত
মেয়র নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মনোনয়নপত্রের সঙ্গে অনধিক ২৫ হাজার ভোটার সম্বলিত নির্বচনী এলাকার জন্য ১৫ হাজার টাকা, ২৫ হাজার এক থেকে ৫০ হাজার ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ২০ হাজার টাকা, ৫০ হাজার এক থেকে ১ লাখের কম ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ২৫ হাজার টাকা এবং ১ লাখ বা তদূর্ধ্ব ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ৩০ হাজার টাকা জমার ট্রেজারি চালান বা কোনো তফসিলী ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা জমা দিতে হবে।
অন্যদিকে কাউন্সিলর (সাধারণ ও সংরক্ষিত) নির্বাচনের ক্ষেত্রে, প্রতিটি মনোনয়পত্রের সাথে ৫ হাজার টাকা জমার ট্রেজারি চালান বা কোনো তফসিলী ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা দিতে হবে।
মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের জামানতের টাকা ‘০৬/০৬০১/০০০১/৮৪৭৩’ খাতে জমা দিতে হবে।
সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন
