বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ
মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০১৬
বরিশাল : শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের যুব রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কমিটি গঠন নিয়ে ছাত্রলীগের এক পক্ষের হামলায় অপর পক্ষের দুজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ যুব রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যালয় সিলগালা করে দিয়েছে।
আহত দুজন হলেন মো. ফয়সাল আলীম ও তন্ময় চক্রবর্তী। তাঁরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ছাত্র এবং মহানগর যুবলীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী।অপরদিকে হামলাকারীরা সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজের অনুসারী।
কলেজ সূত্রে জানাযায়, কলেজের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ নেতা রাজু আহম্মেদকে সভাপতি ও ৪৪তম ব্যাচের তানভীর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে রবিবার যুব রেড ক্রিসেন্টের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অনুমোদন দেন কলেজ অধ্যক্ষ ভাস্কর সাহা ও হাসপাতালের পরিচালক এস এম সিরাজুল ইসলাম। পরে কমিটির তালিকা কলেজ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্থানে টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
এটা দেখে যুব রেড ক্রিসেন্টের সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে পাল্টা কমিটি গঠন করেন সাংসদ জেবুন্নেছার অনুসারীরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়।
এর জের ধরে গতকাল সন্ধ্যায় কলেজ ক্যাম্পাসে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন, সহসভাপতি সাজেদুল করিম, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানসহ কয়েকজন ওই দুজনের ওপর হামলা চালান। আহত দুই ছাত্র পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
আহত ফয়সাল বলেন, আমাদের দুজনের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়েছে।
আরেক ছাত্র ইমরান হোসেন বলেন, বহিরাগত ছাত্ররা আমাদের ওপর হামলা করেছেন।
সাজিদুল করিম বলেন, কলেজ অধ্যক্ষ প্রভাবিত হয়ে নিয়ম ভেঙে কমিটির অনুমোদন দেওয়ায় ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ ভাস্কর সাহা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে ও সম্মতি নিয়েই কমিটিতে স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু পাল্টা একটি কমিটি হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।’
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আওলাদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

