নিজস্ব প্রতিবেদক । ৪ আগস্ট ২০১৬
চট্টগ্রাম: কর্ণফুলী টানেলের এপ্রোচ সড়ক “চিটাগাং সিটি আউটার রিং রোড” নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব জেলা প্রশাসনে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে এ প্রকল্পের পরিচালক ইফতেখার কবির আশা করছেন চলতি বছরেই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
বুধবার (৩ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় টানেলের অ্যালাইনমেন্ট নির্মাণের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিষয় অবহিত করেন প্রকল্প পরিচালক।
“চিটাগাং সিটি আউটার রিং রোড” প্রকল্প, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ প্রকল্পের সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিডিএ সহকারী প্রকৌশলী খায়রুজ্জমান, টানেল পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের রিং রোড প্রকল্পের পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, উপ-সচিব অমল গুহ, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজ, রাজীব দাশ, নগর পরিকল্পনাবিদ মোহাম্মদ জহির আহমেদ, সহকারী প্রকৌশলী আশরাফ, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা শামসুজ্জামান প্রমুখ।
সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ সালাম বলেন, রিং রোড ও টানেলের কার্যকারীতা বাড়াতে পতেঙ্গা রিং রোডের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন স্থানে টানেলের এপ্রোচ সড়ক সংযুক্ত করা হয়েছে।
রিং রোড, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও টানেলের এলাইনমেন্টের সংযোগস্থল পর্যালোচনা করে ট্রাফিক মুভমেন্ট সহজ করতে এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাস্তবায়নাধীন রিং রোড ও টানেলের এপ্রোচ রোড সমন্বয় করে টানেলের এপ্রোচ সড়কের ডিজাইন চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের সহজে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জন্য যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, টানেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য নদীর অপর পাড়ে টানেলের এপ্রোচ সড়ক একই প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার মহাসড়কের সাথে সরাসরি সংযুক্ত করতে হবে।






