রবিবার, ০৩ এপ্রিল ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্রগ্রাম : চট্রগ্রামে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে মিমি আইস আইসক্রীম এবং নিউ আইসক্রীম এর কারখানা এবং রিলাই পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার এর কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়।
আজ রবিবার বেলা ১২ টার দিকে নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন পাঠানটুলী,নাজিরপুর এলাকার মিমি আইস বার এবং নিউ আইসবার এর কারখানায় এবং একই এলাকার রিলাই পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার এর কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিসট্রেট রুহুল আমিন সিটিজিবার্তা২৪ডটকমকে জানান, মিমি আইস বার এবং নিউ আইসবার এ অভিযানকালে দেখা যায়, অত্যন্ত নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম বানানো হচ্ছে। অভিযানকালে দেখা যায় রিক্সা গ্যারেজের একপাশে একটা অংশ ভাড়া করে বানানো হচ্ছে আইসক্রিম। বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রঙ দিয়ে আইসক্রীম বানানো ।গুড়া দুধ,আর্যািরোট,ওয়াসার পানি দিয়ে কুলফি মালাই বানানো হচ্ছে। চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ঘনচিনি এবং স্যাকারিন। বিএসটিআই এর কোন সনদ নাই। এমনকি বরফ বানানোর লাইসেন্স আছে বলে কর্মচারীরা দাবী করলেও কোন লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। সরাসরি ওয়াসার লাইন ব্যবহার করে আইসক্রীম বানানো হচ্ছে।
এসকল অনিয়মের জন্য (মালিক ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েন) আইস বার কারখানা দুইটি তালা মেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রিলাই পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার এর কারখানায় অভিযানকালে দেখা যায়-রিলাই ড্রিংকিং ওয়াটার এর মালিক বিএসটি আই এর কোন ধরনের লাইসেন্স ছাড়াই পানি উৎপাদন করছেন এবং পানির জারের গায়ে বিএসটি আই এর লোগো ব্যবহার করছেন। কারখানায় ল্যাব নেই এমনকি কোন কেমিস্টও নেই। ল্যাবের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে কর্মরত কর্মচারীরা জানান যে,এখানে কোন ল্যাবট্যাব কিছু নাই। বিএসটি আই এর অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে,তারা জানান যে, গত ফেব্রুয়ারী-২০১৬ মাসে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছেন মাত্র।লাইসেন্স পেতে সময় লাগবে।লাইসেন্স ছাড়াই যে লোগো ব্যবহার করছেন??? এই প্রশ্নের জবাবে কর্মচারীরা জানান যে, তারা কিছু জানেন না,মালিক জানে। কারখানায় কর্মরত কর্মচারীদের পানি বিশুদ্ধকরনের বিষয়ে বেশিরভাগেরই কোন অভিজ্ঞতা নাই।কর্মচারীরা জানান যে,তাদের অভিজ্ঞতা নাই।মেশিন অন করলেই পানি পড়ে ।আমরা জারে ভরে মার্কেটে পাঠাই দেই। পানি ঠিক আছে কি নাই এটা আমরা কি করে জানব?
এসকল অনিয়মের জন্য (মালিক ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েন) রিলাই পানির কারখানাটি তালা মেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
