নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
আপডেট: ৫ এপ্রিল ২০১৬ মঙ্গলবার ১৮:৩৭ ঘন্টা

বাঁশখালীতে নিহতদের পরিবারের পাশে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদার প্রতিনিধি হয়ে চট্টগ্রাম বিএনপির সভাপতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
চট্টগ্রাম বাঁশখালী থেকে : বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডমারা ইউনিয়নে এস.আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ৪ জন নিহতের পরিবারকে সান্তনা দিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রতিনিধি হয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা ও নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এসময় তিনি মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় গণ্ডামারা চরপাড়ায় গুলিতে নিহত মর্তুজা আলী, তার ভাই আনোয়ারুল ইসলাম ও মেয়ের জামাই জাকের হোসেনের জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন। তবে স্থানীয় সরকার দলীয় এমপি মোস্তাফিজুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কেউই জানাজায় অংশ নেননি বলে জানা গেছে। এনিয়ে স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুসে উঠেছেন এলাকাবাসী।
এসময় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নিজের বাপ-দাদার বসত ভিটা রক্ষার সমাবেশে গিয়ে পুলিশের গুলিতে চারজন নীরহ গ্রামবাসী মারা যান। এঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য আমাদের দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া দাবি জানিয়েছেন। তার নির্দেশে উনার প্রতিনিধি হয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। এই ধরণের বর্বর হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
এরআগে গতোকাল সোমবার বিকেলে বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নে এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ ও পক্ষে-বিপক্ষের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় চার এলাকাবাসী নিহত হয়েছে। এদের চারজনই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ বিরোধী পক্ষের লোকজন।
নিহতরা হলেন, গণ্ডামারা ইউনিয়নের মৃত আশরাফ আলীর পুত্র আনোয়ারুল ইসলাম প্রকাশ আংকুর নূর (৬০), মর্তুজা আলী (৫০) ও তার মেয়ের জামাই জাকের হোসেন (৩০) এবং একই এলাকাপর জাকের আহমেদ (৫০)।
এদিকে এ ঘটনায় ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে কমপক্ষে অজ্ঞাত ৬ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। এরমধ্যে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি ও পুলিশের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে। মঙ্গলবার সকালেও হত্যার প্রতিবাদ ও কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে ‘বসত ভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটি’।
