আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
আপডেট: ৫ এপ্রিল ২০১৬ মঙ্গলবার ১৯:২৯ ঘন্টা
চট্টগ্রাম : সেনাবাহিনীর তৈরি সংবিধানের কারণে অং সান সু চি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। তবে তার সরকারের নির্বাহী পদের উপর প্রভাব খাটানোর ক্ষমতা দিয়ে যে পদটি তৈরি করা হয়েছিল তা দেশটির সংসদের উচ্চ কক্ষে পাস হয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রীর সমান ক্ষমতা ভোগ করবেন সু চি এবং সরকারে তার ভূমিকাও হবে প্রধানমন্ত্রীর মতোই।
ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নতুন সরকারের দ্বিতীয় দিনে ‘রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা’ বানানোর প্রস্তাব দিয়ে উত্থাপিত ওই বিলটি সেনাবাহিনীর বিরোধিতার মুখেই পাস হয়। বিলটি পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষে অনুমোদন পাওয়ার পর এখন রাষ্ট্রপতির সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলেই সু চি দেশটির প্রেসিডেন্টের ওপর ও প্রভাব খাটাতে পারবেন।
এদিকে বিলটি ঘিরে মিয়ানমার পার্লামেন্টের প্রায় এক চতুর্থাংশ সামরিক সংসদ সদস্য উচ্চকক্ষে ভোট গ্রহণের সময় বয়কট করে। এ সময় তারা এই প্রক্রিয়াকে অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করেন। জানান, রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার পদটি এক ব্যক্তির হাতে এতোটাই ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছে যে এতে ক্ষমতার ভারসাম্যে ঘাটতি তৈরি হবে।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯ (চ) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি দেশটির রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না যদি তার স্বামী কিংবা সন্তান বিদেশি নাগরিক হয়। ধারণা করা হয়, সেনাবাহিনীর করা এই অনুচ্ছেদটি মূলত সু চি কে রাষ্ট্রীয় ওই গুরুত্বপূর্ণ পদটি থেকে সরিয়ে রাখার জন্যই সামরিক জান্তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে। কেননা সু চি’র স্বামী এবং সন্তানরা ব্রিটিশ নাগরিক।

