নিজস্ব প্রতিবেদন ঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ গঠনে সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। মন্ত্রী বলেন, বিদেশীরা শাহজালাল বিমান বন্দরকে নিরাপদ মনে করছেন না। অনেক ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে না পারলে সবগুলো ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট চালু হচ্ছে না ওসমানী বিমান বন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারিত না হওয়ায়। বিমান কর্তৃপক্ষ রানওয়ে সম্প্রসারণের পরামর্শ দিয়েছেন। সে লক্ষে ৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে শীঘ্রই রানওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তবেই সিলেট থেকে সরাসরি ফ্লাইট সম্ভব। সিলেটকে পর্যটনের রানী উল্লেখ করে রাশেদ খান মেনন বলেন, সিলেটের পর্যটন প্রথম ধাপে উন্নীত হবে। সে জন্য প্রয়োজন স্থানীয় লোকদের উদ্যোগ। সিলেটের জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল ধ্বংসের পথে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাফলংয়ের বোমা মেশিন বন্ধ করা না গেলে সিলেটের পর্যটন শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে না।
আটাব সিলেট অঞ্চলের সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিলের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী সদস্য আব্দুল কাদিরের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, আটাব এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব আসলাম খান প্রমুখ। বক্তব্য রাখেন মেট্রোপলিটন চেম্বারের ১ম সহ সভাপতি হাসিন আহমদ, আটাব এর সাবেক মহাসচিব জিন্নুন আহমেদ চৌধুরী দিপু, ওয়ার্কাস পার্টি সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক কমরেড সিকন্দর আলী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আজিজ আহমদ সেলিম, আটাব নেতা এমদাদুল হক বেলাল, আতাউর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল হামিদ, আতিকুর রহমান, মনসুর আলম পারভেজ, দেওয়ান রুশু চৌধুরী, কফিল উদ্দিন বাবলু, নাজির আহমদ আজাদ, জুনায়েদ আলী, মাওলানা খাজা মঈন উদ্দিন, সামসুল আলম প্রমুখ।

