ব্রেকিং নিউজ

পানছ‌ড়িত‌ে সেকায়েপ প্রকল্পের বৃত্তি পাচ্ছে ১৮৮ জন!

সোমবার, ২৪ আগষ্ট, ২০১৫,সিটিজিবার্তা২৪.কম.মো তহিদুর রহমান রুবেলঃ খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলাতে সেকায়েপ উপবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় আসছে ১৮৮ জন অ-উপজাতীয় তথা বাঙ্গাঁলী শিক্ষার্থী।
২০১৫ খ্রিঃ শিক্ষাবর্ষের পি.এম.টি সুবিধাভোগীদের খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়া, ৪৩৪ জন আপীল আবেদনকারীর মধ্যে সেকায়েপ উপবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় ,উপবৃত্তি পাবে ১৮৮ জন দরিদ্র বাঙ্গাঁলী শিক্ষার্থী। য‌দিও আশ্বাস দেয়া হ‌য়ে‌ছিল ৪০০ জন উপবৃ‌ত্তির আওতায় আস‌বে।
৪৩৪টি আবেদন পত্রের মধ্যে লৌগাং বাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয় হতে ২৪টি আবেদন পত্র জমা দেয়া হয়। এখান থেকে উপবৃত্তির আওতায় আসছে ০৫ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া পানছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৪২ জনে ০৩ জন, উল্টাছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৫৬ জনে ২৬ জন এবং পানছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র (আলিম) মাদরাসা হতে ৬৪ জনে ২১ জন,পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয় হতে ২৪৫ জনে ১৩০ জন এবং পানছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আবেদন করা তিনজন শিক্ষার্থীই আসছে উপবৃত্তির আওতায়।
উল্লেক্ষ্য,সেকায়েপের বৈষম্যমুলক নীতির বিরূদ্ধে,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাঙ্গাঁলী শিক্ষার্থীরা গত ০৭.০৪.২০১৫ মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে প্রতিবাদ মিছিল করে এবং বিশেষ ধারানুযায়ী আওতাভুক্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায় সকল বাঙ্গাঁলী শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপবৃত্তি প্রকল্পের আওতাভুক্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক’র নিকট স্মারকলিপি-আবেদনপত্র জমা দেয়।
বাঙ্গাঁলী অধ্যুষিত এলাকায় বিশেষ ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়া এবং উক্ত এলাকার শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তাৎক্ষনিকভাবে পিএমটি,কো-অর্ডিনেটর,এল.জি.ডি,ঢাকা’র সাথে টেলিফোনে আলাপ করেন। উক্ত আলাপের প্রেক্ষিতে পি.এম.টি,কো-অর্ডিনেটর,ঢাকা পূর্বে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের (৪৩৪ জনের) আপীল আবেদন প্রেরণ করার নির্দেশনা দেয়।

সেকায়েপ/অ্যাকসেস/পিএমটি ভিত্তিক উপবৃত্তি/৩৯/২০১৩/৬১২৫ স্মারক নং মূলে বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত অর্থায়নে সেকান্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যাকসেস এনহাসমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ) এর আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি ও বেতন সহায়তা প্রদানের জন্য পিএমটি বুথ অপারেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে অচ্ছল/দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে আবেদন পত্র সংগ্রহ করা হয়। প্রথমবারে ২৮২১ টি আবেদন পত্র যাচাই-বাচাই শেষে ২৭৯৩  জনকে এই উপবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় আনা হয়,যাতে বাঙ্গাঁলী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অতি নগণ্য বলে মনে করেন প্রতিবাদকারীরা। আবেদন করার যোগ্যতা হিসাবে যেসব দিক উল্লেখ করা হয় তার অন্যতম হল,উপজাতি ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বুথে গিয়ে আবেদন করলে উপবৃত্তি ও বেতনের জন্য সরাসরি নির্বাচিত হবে। যা নিয়ে উপজেলার সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠে। এটি নিয়ে তখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।