শনিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৫
সিটিজিবার্তা ২৪ ডটকম
ডেস্ক সংবাদ : মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদের মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ‘খ্যাতনামা’ ৭ জল্লাদকে।
এই সাতজন জল্লাদ ছাড়াও আরো এক জল্লাদকে আনা হতে পারে ফাঁসি কার্যকরের জন্য। শনিবার কারাসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জল্লাদরা হলেন, ইকবাল, মাসুদ, আবুল, মোক্তার, রাজু, শাহজাহান ও হযরত। এসব জল্লাদ বিভিন্ন সময় ফাঁসি আসামিদের ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করেন। এদের মধ্যে শাহজাহান ও রাজু যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা ও কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে অংশ নিয়েছিলেন। কাসিমপুর কারাগারসহ দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে এসব জল্লাদদের এনে বর্তমানে কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।
কারাসূত্র জানিয়েছে, এদিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারের দুটি ফাঁসিমঞ্চের মধ্যে পুরাতন মঞ্চটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকরের জন্য। ‘জল্লাদ শাহজাহান’ এখন পর্যন্ত ৪৫ জনের ফাঁসি কার্যকরে জল্লাদের কাজ করেছেন তিনি। এর মধ্যে যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা ও কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে অংশ নিয়েছিলেন। জানা গেছে, ৩৬ বছর ধরে কারাবন্দি অবিবাহিত শাহজানান। এ পর্যন্ত ৪৫ জনের ফাঁসির দণ্ডে জল্লাদের কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য ফাঁসিগুলো হলো : ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি বজলুল হুদা, আর্টিলারি মুহিউদ্দিন, সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও ল্যান্সার মহিউদ্দিন আহমেদ।
২০০৭ সালের ২৯ মার্চ কাশিমপুর ও ময়মনসিংহে জঙ্গিনেতা সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই, আতাউর রহমান সানী, আবদুল আউয়াল, খালেদ সাইফুল্লাহ ও ইফতেখার মামুন। ২০০৪ সালের ১০ মে খুলনা জেলা কারাগারে এরশাদ শিকদারের ফাঁসি। ২০০৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর রংপুর জেলা কারাগারে ইয়াসমিন হত্যা মামলার আসামি এএসআই মইনুল হক ও আবদুস সাত্তারের ফাঁসি। ১৯৮৯ সালে প্রথম সহযোগী জল্লাদ হিসেবে গফরগাঁওয়ে নুরুল ইসলামকে ফাঁসি দেন শাহজাহান। ওটাই ছিল শাহজাহানের জীবনে কারাগারে কাউকে প্রথম ফাঁসি দেয়া। আট বছর পর ১৯৯৭ সালে তিনি প্রধান জল্লাদ হন।
সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন