কুমিল্লার জয়ের জন্য দরকার ৩৬ বলে ৫২ রান (ভিডিও)

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৫

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

খেলা ঃ  কুমিল্লা তাদের প্রথম ম্যাচে লড়াই করে হেরেছিল ঢাকা ডাইনামাইটসের কাছে। একদিন বিরতি দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি চিটাগাং ভাইকিংসের। মাশরাফি বিন মর্তুজার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের জয়ে ফেরার মিশন। তবে মাশরাফির দলের সামনে ১৭৭ রানের বিশাল লক্ষ্য বেধে দিয়েছে তামিমের চিটাগাং ভাইকিংস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে কুমিল্লা। প্রথম ওভারেই পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমিরের তোপের মুখে পড়তে হলো কুমিল্লার ওপেনিং জুটিকে। প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই আমিরের বোলিং তোপের মুখে পড়ে উইকেট হারিয়েছেন ইমরুল কায়েস।

ওভারের চতুর্থ বলে আমেরকে ফ্লিক করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন ইমরুল। সেটি তালুবন্দী করে নিতে মোটেও কষ্ট হয়নি তামিম ইকবালের। ১ বল মোকাবেলা করে কোন রান না করেই আউট হয়ে যান ইমরুল। এ ওভারে রান দেন মাত্র ৫ রান।

পরের ওভারে তাসকিন আহমেদের কাছ থেকে মাত্র ১ রান নিতে সক্ষম হয় কুমিল্লা। তৃতীয় ওভারে আবারও বল করতে আসেন মোহাম্মদ আমির। এ ওভারের চতুর্থ বলে লিটন দান একটি বাউন্ডারি মারেন আমিরকে। কিন্তু শেষ বলে এসে উইকেট বিলিয়ে দিলেন লিটন কুমার দাস।

আমের শট খেলার জন্য দিয়েছিলেন একটি হালকা বাউন্স। তাতেই প্রলুব্ধ হয়ে পুল করতে গেলেন লিটন। মিড উইকেটে ক্যাচটি তালুবন্দী করে নিলেন জিয়াউর রহমান।

পরপর দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দারুন বিপদে পড়ে যায় মাশরাফির কুমিল্লা। টি২০ বলে দেখে-শুনে খেলারও কোন উপায় নেই। সুতরাং, উইকেটে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলার চেষ্টা করেন শুভাগত। শফিউলের এক ওভার থেকেই তিনি নিয়েছিলেন ১৮ রান।

মাত্র ১৬ বল খেলে ৩০ রান করে চিটাগাং ভাইকিংসের সামনে বেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিলেন শুভাগত। কিন্তু সেই শফিউল ইসলামের বলেই দিলশানের দুর্দান্ত এক ক্যাচে পরিণত হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হলেন শুভাগত।

পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন মাশরাফি। তবে অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে মোহাম্মদ আমিরের সরাসরি এক থ্রোতে রানআউটের শঙ্কায় পড়েছিলেন মাশরাফি। শেষ পর্যন্ত টিভি রিপ্লেতে তিনি বেঁচে যান।

এ রিপোর্ট লেখার সময় কুমিল্লার রান ১৪ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান। মারলন স্যামুয়েলস ৪০ রানে এবং মাশরাফি রয়েছেন ৩৩ রান নিয়ে ব্যাটিং করছেন।

সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

জন মন্তব্যকারী




Leave a Reply

Inline