সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
রবিবার, ১২ জুন ২০১৬
বর্তমানে দেশের একমাত্র দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হওয়া বজ্রপাতের ঘটনায় আবারো একদিনে সাত জেলাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১১ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের ৭ জেলায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। যার মধ্যে কক্সবাজার জেলায় ৪ জন, বান্দরবানে ১, নোয়াখালীতে ২, বাগেরহাটে ২, পটুয়াখালীতে ১, ঝালকাঠিতে ১, বরিশালে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদের তথ্যেমতে:
কক্সবাজার: শনিবার বেলা ১১টার দিকে বজ্রপাতের ঘটনায় উখিয়ার উপজেলার পালংখালির উত্তর রহমতের বিলে বজ্রপাতে মারা যান সিরাজোদ্দৌলা (৩২)। সে পালংখালির মৃত হাজী কামাল উদ্দিনের ছেলে। টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়ার কামাল হোসেন (২২) মারা যান। নিহত কামাল হোসেন শামলাপুর রোহিঙ্গা বস্তির আমির হোসেনের ছেলে।
অপরদিকে, বিকেলে বজ্রপাতের ঘটনায় চকরিয়া উপজেলায় কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুত্যাখালী গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. বাবুল (৪৫) ও কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালীর ছিদ্দিক হাজীর পাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে নুরুল আলম (৪৫) মারা যান।
বান্দরবান: সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লামা উপজেলার রুপসীপাড়া ইউনিয়নে বজ্রপাতে ফারুক হোসেন (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পইজ্জাখোলা নৌকার ঘাট পারাপারের সময় বজ্রপাতের ওই ঘটনা ঘটে। ফারুক হোসেন লামা সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড নকসা ঝিরির মৃত আলী আহাম্মদের ছেলে।
নোয়াখালী: সন্ধ্যায় বজ্রপাতে হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ভ্যানচালক হাসান উদ্দিন (১৮) মারা গেছেন। এর আগে সকাল ১০টার দিকে জাহাজমারা ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের কামাল উদ্দিন (৩৫) বজ্রপাতে মারা গেছেন।
বাগেরহাট: বজ্রপাতে সকালে মারা গেছেন মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব চণ্ডীপুর গ্রামের আল আমিন খান (৩৫) এবং রামপাল উপজেলার মানিকনগর গ্রামের আজম শেখ (৪৮)।
পটুয়াখালী: বিকেলে বজ্রপাতের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন জেলার বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর-জাফরাবাদ গ্রামের মোস্তফা দর্জি ওরফে লালু (৫৫)।
ঝালকাঠি: বিকেলে বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা গেছেন কাঁঠালিয়া উপজেলার ছোট কৈখালী গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী লাকি বেগম (২৮)।
বরিশাল: দুপুর আড়াইটার দিকে হিজলা উপজেলার আব্দুস সোবাহান আফতর আলী দরবেশ মক্তবে অবস্থানকালে বজ্রপাতে প্রাণ হারান আব্দুস সোবাহান (৫২) নামে এক কাপড় বিক্রেতা। তিনি উপজেলা সদরের খুন্না গোবিন্দপুর গ্রামের সফুর আলী বেপারীর ছেলে। তিনি ফেরি করে কাপড় করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন।

