স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম
মাগুড়া প্রতিনিধি । ৩০ জুলাই ২০১৬
জঙ্গিদের কোন প্রকারের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নেই। জঙ্গিরা বাংলাদেশের যে প্রান্তেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, তাঁদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এসময় তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া জামাতকে মদদ না দিলে দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হতো না। “বিএনপি-জামাত মানুষের প্রাণ নেয় আর শেখ হাসিনা প্রাণ বাঁচায়”।
শনিবার (৩০ জুলাই) মাগুরায় কমিউনিটি ক্লিনিক ব্র্যান্ডিং অ্যাকটিভিশন ক্যাম্পেইন কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দুপুরে মাগুরা সদর হাসপাতাল চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কমিউনিটি ক্লিনিকের ব্র্যান্ডিং লোগো উন্মোচন করেন। সিভিল সার্জন এফবিএম আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা এবং ব্র্যান্ডিং অফ কমিউনিটি ক্লিনিক অ্যাকটিভিটিসের দলনেতা অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর, ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান সৈয়দ বোরহান কবীর, মাগুরা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ মো. মজনুর রহমান, চিকিৎসক জয়ন্ত কুন্ডু প্রমুখ বক্তব্য দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেন, সন্ত্রাস-জঙ্গি নয়, হেলথ ক্লিনিক হবে আমাদের ব্র্যান্ডিং। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার প্রান্তিক জনগণের হাতের নাগালে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। এ জন্যই কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রমকে ব্র্যান্ডিং হিসেবে সারা দেশে ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জঙ্গির উত্থান হয়েছিল। শেখ হাসিনা দমন করেছেন। কুপোকাত করেছেন। গুলশান ও কল্যাণপুরে আমরা দমন করেছি। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সিরিয়া বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলা হয়েছে। সেসব দেশ এত দ্রুততার সঙ্গে দমন করতে পারেনি। শেখ হাসিনার নির্দেশে যা আমরা পেরেছি। এমনকি ভারতের মুম্বাইয়ে জঙ্গি হামলা ঠেকাতে পদক্ষেপ নিতে তাঁদের ৭২ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। শেখ হাসিনা সাহসী। তাই তিনি দমন করতে পারেন।
নাসিম বলেন, কাজে ফাঁকি দিলে চলবে না। আমার কাছে চাকরি করেন এমন অনেকে এসে বলেন, কাজ করবেন কি তাঁরা ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ করেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ করলে হবে না। কাজ আগে করতে হবে। তারপর দল। ২০১৯ সালে নির্বাচনে জিততে হবে। খালেদা জিয়া যদি ওই ফাইনাল খেলায় আসেন তাহলে ভালো। আর না আসলে তাঁকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না ভবিষ্যতে।



You must log in to post a comment.