বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম : সম্প্রতি কাজী ফার্ম তথা দীপ্ত টিভি নিয়ে বেশ সমালোচনার ঝড় উঠেছে। দীপ্ত টিভি বন্ধের দাবিতে চট্টগ্রামে রাজপথ মুখী হয়ে উঠেছে জনতা নতুন এ টিভি চ্যানেল আলোচিত হওয়ার জন্য বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রচার করে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি.এসসি ও তার পুত্র সানোয়ারা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানের সাথে চট্টগ্রামের দোহাজারীতে কাজী ফার্ম তথা দীপ্ত টিভির মালিক কাজী জাহেদুল হাসানের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই মন্ত্রী ও তার ছেলের নামে একের পর এক সাজানো মানহানিকর প্রতিবেদন প্রচার করছে দীপ্ত টিভি। এ ঘটনায় সানোয়ারা পোল্ট্রি ও হ্যাচারীর ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দুইটি মামলা করেন। সর্বশেষ গত ১১ এপ্রিল ঢাকা থেকে দীপ্ত টিভির একটি প্রতিনিধিদল চট্টগ্রামে মন্ত্রী বি.এসসি’র এলাকায় আসেন। আরো একটি ভূয়া, ভিত্তিহীন প্রতিবেদন তৈরির চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে তারা পালিয়ে র্যাব-৭ চান্দগাঁও কার্যালয়ে অবস্থান নেন। চারপাশ এলাকাজুড়ে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনগণ র্যাব কার্যালয়ের সামনে আসতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা মিছিল ও পথসভা করেন এবং চট্টগ্রাম-কাপ্তাই আরাকান সড়ক অবরোধ করে রাখেন। তবে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেন জনতা। অথচ নিজেদের অপরাধ ধামা চাপা দেওয়ার জন্য মন্ত্রী পরিবারের নামে যাত্রাবাড়ী থানায় বানোয়াট, সাজানো হামলার অভিযোগ করেন দীপ্ত টিভি, যা খুবই দুঃখজনক। প্রতিবাদে হাজারো ছাত্র-জনতা গত রোববার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। অবিলম্বে দীপ্ত টিভির লাইসেন্স বাতিল ও সম্প্রচার বন্ধের দাবি জানানো হয়। প্রয়োজনে সকল সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রধর্মঘট সহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষণা করবে ছাত্রলীগ। দীপ্ত টিভির উদ্দেশ্য বলি “আমিও মন্ত্রী পুত্র, মামলা করবেন”? চট্টগ্রামে মন্ত্রী বি.এসসির হাজারো কর্মী, ভক্ত, অনুসারী রয়েছেন। মিথ্যা মামলা বা হয়রানি করে ক’জনকে দমিয়ে রাখবেন? অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বন্ধ করা যাবেনা। রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি প্রয়োজনে মানহানিকর প্রতিবেদনের দায়ে গণমামলা কর্মসূচী পালন করবে ছাত্র-জনতা। মাননীয় মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি.এসসি শুধু একজন নেতা বা শিল্পপতি নন, তিনি অত্র এলাকাসহ চট্টগ্রামে প্রায় ২৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনক। যেখানে প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী রীতিমত পড়ালেখা করছেন। যার বিরুদ্ধে দুনীর্তি কিংবা অপকর্মের কোন নজির নেই। উদার মনের এ মানুষের নামে মানহানিকর অপপ্রচার আর ষড়যন্ত্র চালালে জনতা রাস্তায় নামবে, এটাই স্বাভাবিক। রাষ্ট্রের একজন সৎ, যোগ্য ও সুনামধন্য গুরুত্ববহ মন্ত্রীর নামে অপপ্রচার সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্র মাত্র।
আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে দ্রুত দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বন্ধ ও লাইসেন্স বাতিল করা হবে এবং মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।
ফারুক ইসলাম
সহ-সভাপতি ,চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ
