ব্রেকিং নিউজ

মাটিরাঙ্গায় ইউপিডিএফের ১৫ নেতা-কর্মী আটক

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৫

তৌহিদুর রহমান রুবেল, সিটিজিবার্তা২৪.কম

handcuff1440530330

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদরের কামিনী মেম্বার পাড়া এলাকায় গোপন বৈঠক করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) ১৫ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পার্বত্য শান্তি চুক্তি-বিরোধী সংগঠনের এসব সদস্যকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মাটিরাঙ্গা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলো- খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পশ্চিম গোলাবাড়ী এলাকার মৃত পুবধা ত্রিপুরার ছেলে জ্ঞানেন্দ্র ত্রিপুরা (৪২), চম্পাঘাট এলাকার বিকিরণ চাকমার ছেলে তপন চাকমা (৪২), মাটিরাঙ্গা সদর উপজেলার বোলা হাজাপাড়ার দইয়ার কৃষ্ণ ত্রিপুরার ছেলে পলাশ ত্রিপুরা (২৮), খাগড়াছড়ি সদরের আকবারী পাড়ার জলকুমার ত্রিপুরার ছেলে জয় ত্রিপুরা (২৯), চম্পাঘাট এলাকার কল্যাণময় খীসার ছেলে সুভাশীষ খীসা (৩৫), খাগড়াছড়ি সদরের মঙ্গারাম পাড়ার হিরাময় ত্রিপুরার ছেলে সুমেস ত্রিপুরা (২৫), মাটিরাঙ্গার বোলা হাজাপাড়ার নিরু বিকাশ ত্রিপুরার ছেলে বানর ত্রিপুরা (২৮), খাগড়াছড়ি সদরের আকবারী পাড়ার খান কুমার ত্রিপুরার ছেলে জেনি ত্রিপুরা (২৯), মাটিরাঙ্গার বোলা হাজাপাড়ার অখিন কুমার ত্রিপুরার ছেলে রূপণ ত্রিপুরা (৩৫), পূর্ব চন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে মিলন কান্তি ত্রিপুরা (২৫), খাগড়াছড়ি সদরের চম্পাঘাট এলাকার লপেন কিশোর ত্রিপুরার ছেলে জগত কুমার ত্রিপুরা (৩৫), মাটিরাঙ্গার আশুতোষ কারবারীপাড়ার শুধাহরণ চাকমার ছেলে সুনীতি বিকাশ চাকমা (৩৮), খাগড়াছড়ি সদরের বিচিতলা এলাকার জতি তালুকদারের ছেলে দুলাল মনি চাকমা (২১), লগেন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে কান্তি ত্রিপুরা (২৪), মাটিরাঙ্গার রাম দয়াল কারবারী পাড়ার রাম দয়াল কারবারীর ছেলে মনো বিকাশ ত্রিপুরা (৩২)।

জানা গেছে, আটককৃতরা নাশকতার উদ্দেশ্যে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের নিয়ে মাটিরাঙ্গা সদরের কাছে গভীর জঙ্গলে বৈঠক করছে, এমন খবর পেয়ে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফের সদস্যরা জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে চাঁন্দের গাড়িতে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় ইউপিডিএফের ১৫ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী জানান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।