আবু সাঈদ সুমন।।
যে দেশে অাগুন-বোমা সন্ত্রাসী বিএনপি ও যুদ্ধাপরাধি জামায়াত অাছে সে দেশে আইএস এর অস্তিত্ব খোঁজা হাস্যকর বৈ অন্য কিছু নয়। কতিপয় পশ্চিমা রাষ্ট্র ও গণমাধ্যম বিএনপি-জামায়াতের স্বার্থ রক্ষায় এই হাস্যকর কাজটি অর্থের বিনিময়ে নিষ্ঠার সঙ্গেই করে যাচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক দল অান্দোলনের নামে সাধারন মানুষকে হত্যা করে এটা পৃথিবীতে বিরল, অথচ বিশ্বসম্প্রদায় সেই বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে না বলে আইএস খুঁজে ফিরছে।
বাংলাদেশে যখনই কোনো টার্গেট কিলিং সংঘটিত হয়, তাৎক্ষনিক দায় স্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান SITE Intelligence যার সাথে সম্পর্ক রয়েছে ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের। মোসাদ এমন একটি গোয়েন্দা সংস্থা যার নামের অাগে ‘কুখ্যাত’ শব্দটি জুড়ে দেয়া হয়। সেই মোসাদের সাথে হাত মিলিয়ে যে দলটি রাষ্ট্র ক্ষমতায় অাসতে চায় তাদের সম্পর্কে পশ্চিমা নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম টু-শব্দটি করে না। এতেই পরিস্কার যে তারা বিএনপি-জামায়াতের পেইড-এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও এর সঙ্গীরা জঙ্গি দমনের নামে যে দেশেই গিয়েছে সে দেশেই জঙ্গিবাদ দ্বিগুন উৎসাহে মাথাচারা দিয়ে উঠেছে। ধরা যাক নাইজেরিয়ার কথা। ‘বোকো হারাম’ সে দেশের সবচাইতে নিষ্ঠুর জঙ্গি সংগঠন। প্রতিদিন এদের নিষ্ঠুরতার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে। এদের সহিংসতা বেড়েছে তখনই যখন অামেরিকা সে দেশে জঙ্গি দমনের নামে প্রবেশ করেছে। শুধুই কি তাই, ইরাকে ঢুকে কি কাজ করেছে অামেরিকা তা সবারই জানা।
ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র অাছে – এই বাহানায় ইরাকে ঢুকে, ৭ হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী দেশটির চেহারা কি করেছে অামেরিকা? অাজ লিবিয়ার কি অবস্থা? অাল-কায়েদা কি সেখানে ঘাটি গেড়ে বসেনি? অাল-কায়েদা তো অামেরিকারই সৃষ্টি।
অামেরিকা সিরিয়াতে ঢুকতেই সেখানে নতুন জঙ্গিদের উত্থান ঘটল যার নাম ISIS, অর্থাৎ অামেরিকা কোনো দেশে যখন ঢুকে তখন নিশ্চিত যে সে দেশটির চরম সর্বনাশ না করে ছাড়বে না। বহু কষ্টে শেখ হাসিনা অামেরিকার প্রবেশ ঠেকিয়ে রেখেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ তখনই সফল হবে যদি দেশীয় জঙ্গিদের সমুলে ধ্বংস করে ১৬ কোটি মানুষের জন্য শান্তির অাবাস নির্মাণ করতে পারেন। এবং শেখ হাসিনা তা পারবেন বলেই অামাদের বিশ্বাস।
জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।।

