বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

জমায়েতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্রগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য নুরুল আনোয়ার, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্রগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য আবু বক্কর চৌধুরী, ইকবাল ইকরাম চৌধুরী শামিম, কাজল প্রিয় বড়–য়া, চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইয়াছির আরাফাত কচি, যুবলীগ নেতা মোঃ মহিউদ্দিন, সৌরভ চৌধুরী, কায়ছার আহমদ, মোঃ নাছির উদ্দিন, শেখ নাইম উদ্দিন, আমিরুল কাদের সজীব, এস.এম সামাদ, জুয়েল আহমদ, সাইদ খান, রাজু চৌধুরী, মোঃ দেলোয়ার, ছাত্রলীগ নেতা কাজী মোঃ আলভী, সুদিপ্ত পাল, তানভীর মেহেদী মাসুদ, শাখাওয়াত শাওন, জয় শীল প্রমুখ।
নুরুল আনোয়ার আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে এলাকার সন্ত্রাসীরা মাদক দ্রব্যের রমরমা ব্যবসা করে, যার কারণে এলাকার উঠতি বয়সের ছাত্র-যুবকরা অত্যন্ত সহজেই মাদক দ্রব্য হাতের নাগালে পেয়ে যায়। কেউ প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসে দৈহিক নির্যাতন, হত্যা করার হুমকি, এমনকি প্রতিবাদকারীর পরিবারের মা-বোনদের ইভটিজিং, মোবাইল ছিনতাই সহ এলাকা ছাড়ার হুমকি দেয়। ছাত্র ও যুবসমাজকে নৈতিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা কল্পে প্রত্যেক এলাকায় প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে হবে। এলাকায় এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা, সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে গণসচেতনতা সৃষ্টি করে ছাত্র-যুবকদের মাদক ও সন্ত্রাস সম্বন্ধে অনুৎসাহিত করতে হবে। পুলিশ প্রশাসন, মহল্লা কমিটি এবং ব্যবসায়ী সমাজের যৌথ উদ্যোগে মাদক ¯পটে হানা দিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করতে হবে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল কর্মসূচী প্রনয়ন করে মাদক ও সন্ত্রাসীদের জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলে অনুপ্রবেশের পদ চিরতরে রুদ্ধ করতে হবে।
মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী ছাত্র-যুব গণজমায়েতে সংহতি প্রকাশ করতে আসা বিভিন্ন মহল্লা কমিটি এবং ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তৃতায় বলেন, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নামধারী মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে যুবলীগ নেতা রাজুকে তারা হত্যার উদ্দেশ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করে। দীর্ঘদিন সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে এখনও রাজু আশঙ্কা জনক অবস্থায় জীবন যাপন করছে। এখনও মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা রাজুর পরিবারকে গুলি করে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। মহল্লা কমিটি এবং ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও মানব পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করে বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, শুলকবহর, কাতালগঞ্জ ও চকবাজার এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।
জমায়েতে শেষে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী এক বিক্ষোভ মিছিল এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।
