সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম
চট্টগ্রাম: মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল সিটির বিরোধিতাকারীরা গণদুশমন। এ দেশের মানুষ যাতে হৃদরোগের উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা পায়, সে লক্ষ্য সামনে রেখে ২০১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিখ্যাত হৃদরোগ চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠীর প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে বিশ্বমানের বিশেষায়িত হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার হয়েছিল। কুচক্রীমহল ছয় বছর এ প্রকল্পটি আটকে রেখেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল সিটি বাস্তবায়ন পরিষদ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খোরশেদ আলম সুজন এসব কথা বলেন।
এসময় খোরশেদ আলম সুজন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল সিটির সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও জনহিতকর এ প্রকল্পের বিরোধিতা করে ছয় বছর ধরে আটকে রাখা হয়েছে। গণমানুষের সুচিকিৎসার বিরোধিতা যারা করছে, তারা নিঃসন্দেহে গণদুশমন, জনগণের হৃদরোগ চিকিৎসার বিরোধিতা করে তারা প্রত্যেক জনতার হৃদয়ে আঘাত হেনেছে, শুধু চিকিৎসাসেবাই নয়, আমাদের মহান জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাম যেখানে জড়িত, সে প্রকল্পের বিরোধিতা করে তারা জাতির জনকের আত্মমর্যাদা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, প্রকল্পের জন্য প্রস্তাবিত জায়গা অর্থাৎ বন্দর লেবার কলোনি মাঠে কিছু দুষ্টচক্রের লোভের বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের পাঁয়তারা চলছে, যা জাতির জনকের নামের সাথে প্রতারণার শামিল। তাই এদের বিচারের আওতায় আনা উচিত।
তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর ও দুই দুইটি আন্তর্জাতিক ইপিজেডসহ বহু সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কারণে বৃহত্তর পতেঙ্গা-বন্দর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত আদি বাসিন্দাসহ রুটি-রুজির সংগ্রামে আসা অন্যান্য জেলার বিপুলসংখ্যক জনসাধারণ অধ্যুষিত এই এলাকায় কোনো সরকারি হাসপাতাল এবং স্কুল কলেজ নেই, যা চরম দুর্ভাগ্যজনক।
খোরশেদ আলম সুজন এই মানবিক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সভায় খোরশেদ আলম সুজনের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন চট্টগ্রাম বন্দর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল সিটি বাস্তবায়ন পরিষদের নেতারা।
গত শনিবার (১১ জুন) বিকেলে পরিষদের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াছের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এম দিদারুল আলম, সদস্যসচিব মো. মোরশেদ আলম, যুগ্ম সচিব এসএম বরকত উল্লাহ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নুরুল কবির, মহানগর খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক এএসএম জাহিদ হোসাইন, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল হোসেন, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য লিটন মহাজন,পরিষদের সংগঠক স্বরুপ দত্ত রাজু, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ নেতা আবদুল আজিজ, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, সংস্কৃতিকর্মী সুমন দে বাবু, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্যসচিব সালাউদ্দিন মামুন, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মো. বিজয়, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মো. আবিদ, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা মো. কাইয়ুম, সাইদুর রহমান তুষার, সুদীপ্ত বর্ধন, তুষার দাশ, নুরুল আবছার প্রমূখ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

