প্রিমিয়ারের কর্তৃত্ব মহিউদ্দিন চৌধুরীর হাতে

শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৬

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

প্রিমিয়ারের কর্তৃত্ব মহিউদ্দিন চৌধুরীর হাতে
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রিমিয়ার পরিচালনা ও হস্তক্ষেপের বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞার আদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বহাল রেখেছেন।

বৃহস্পতিবার সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে হাইকোর্ট বিভাগে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে দেয়া আদেশ (অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ও স্থিতাবস্থা) বহাল রাখা হয়।

এর ফলে প্রিমিয়ারের কর্তৃত্ব বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী হাতে এসেছে বলে মনে করছেন তার পক্ষের আইনজীবীরা।

গতোকাল বৃহস্পতিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করে মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষের আইনজীবী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানান, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক তহবিল গঠনের জন্য ৫ কোটি টাকা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন দিয়েছিল দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতে প্রদর্শিত ব্যাংকের দলিলপত্রে প্রমাণ হয়েছে এস আলম গ্রুপের তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে ওই টাকা ধার হিসেবে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেয়া হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, আপিল বিভাগের রায়ের ফলে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কর্তৃত্ব এখন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী হাতে। শিগগির তিনি প্রিমিয়ারে অফিস শুরু করবেন। এ বিদ্যাপীঠের শুরুর দিকে যারা ছিলেন তারা বা তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়েই আগামী দিনে ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হবে।

সূত্র জানায়, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ২০১৫ সালের ৯ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন (নম্বর ১২৮৯২/২০১৫) দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ১০ ডিসেম্বর রুল, চসিকের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ও স্থিতাবস্থার আদেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ১৫ ডিসেম্বর চসিক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজের আদালতে আবেদন করেন যা বহাল রেখে চেম্বার জজ, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির নির্দেশ দেন। এরপর চসিক আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল (সিপি নম্বর ৩৭৪৯/২০১৫) দাখিল করেন।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের শুনানিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি এবং এমএ হান্নান। এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও আমিন উদ্দিন। তাদের সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার শুভ্র চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট মানজুর মতিন, ব্যারিস্টার আনিতা গাজী রহমান ও ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী। সূত্র বাংলামেইল




Leave a Reply