রবিবার ,১৫ নভেম্বর ২০১৫
আতিক মাসুদ,সিটিজিবার্তা ২৪.কম
জয় দিয়ে বছর শেষ করা হলো না টাইগারদের। দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশকে তিন উইকেটে হারিয়ে অবশেষে সিরিজে জয়ের মুখ দেখল জিম্বাবুয়ে।
আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টাইগারদের ছুঁড়ে দেওয়া ১৩৬ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। এ জয়ে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হল।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মাশরাফি। ব্যাটিং উদ্বোধন করতে নেমে দারুণ শুরু করেন টাইগারদের দুই ওপেনার তামিম এবং ইমরুল। তাদের ঝোড়ো শুরু চার ওভারেই দলের সংগ্রহ ৩০ উপরে নিয়ে যায়।তবে, ইনিংসের চতুর্থ ওভারের চতুর্থ বলে এলটন চিগুম্বুরার বলে মাদজিভার তালুবন্দি হন তামিম,১৫ বলে একটি চার আর দুটি ছক্কায় ২১ রান করে এ বাঁহাতি ওপেনার।
দ্রুতই ফেরেন ইমরুল,ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ব্যক্তিগত ১০ রান চিসোরোর বলে উইলিয়ামসের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল কায়েস।
এরপর নিয়মিত বিরতীতে উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা,নবম ওভারে বিদায় নেন মি.ডিপেন্ডেবল,গ্রায়েম ক্রেমারের প্রথম বলে উইলিয়ামসের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে ৯ রান করেন মুশফিক।
এরপর সাব্বির-বিজয়ের গুরুত্বপূর্ণ ৩৯ রানের জুটির পর এগিয়ে চলছিল বাংলাদেশের ইনিংস।, ১৫তম ওভারে গ্রায়েম ক্রেমারের বলে এলবির ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন সাব্বির রহমান। আউট হওয়ার আগে ১৮ বলে ১৭ রান করেন তিনি।
এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে ভালো সংগ্রহের পথে নিয়ে যেতে থাকেনএনামুল হক বিজয়।
ব্যক্তিগত ৩ রান করে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন নাসির হোসেন। এরপর দ্রুত বিদায় নেন ৮ রান করা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। প্রথম বলেই মাদজিভার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন টাইগার দলপতি মাশরাফি। আরাফাত সানি ফেরেন ৫ রান করে।
শেষ ওভারের দুই বল বাকি থাকতে রান আউট হওয়ার আগে বিজয় করেন ৫১ বলে ৪৬ রান।নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে টাইগারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১৩৫ রান।
জবাবা ব্যাটিং করতে নেমে আলআমিনের বোলিং তোপে দলীয় ৩৯ রানের মাথায় টপঅর্ডারের পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ধুঁকতে থাকে জিম্বাবুয়ে।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই দলীয় ৭ রানের মাথায় আল আমিনের করা প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে থাকা মুশফিকের গ্লাভসবন্দি হয়ে ফেরেন ব্যক্তিগত ৫ রান করা সিকান্দার রাজা। পরের বলেই উইলিয়ামসকে বোল্ড করেন আল আমিন।
জিম্তৃবাবুয়ের তৃতীয় উইকেট হিসেবে রেগিস চাকাভাকে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজ , সাব্বির রহমানের তালুবন্দি হয়ে ফেরার আগে চাকাভা করেন ৪ রান।
দলীয় ৩৩ রানের মাথায় ১৫ রান করা ক্রেইগ আরভিন রান আউট হয়ে ফিরলে জিম্বাবুয়ে তাদের চতুর্থ উইকেট হারায়। স্কোরবোর্ডে ৬ রান যোগ হতেই আরাফাত সানি শূন্যহাতে ফিরিয়ে দেন এলটন চিগুম্বুরাকে।
তবে, সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন ম্যালকম ওয়ালার এবং লুক জঙ্গো। এ দুই ব্যাটসম্যান ৫৫ রানের জুটি গড়েন। জঙ্গো আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৩৪ রান করেন।
শেষ ওভারে ১৮ রান দরকার ছিল জিম্বাবুয়ের। ম্যালকম ওয়ালারকে শেষ ওভারের প্রথম বলে ফিরিয়ে দেন নাসির হোসেন। বিদায় নেওয়ার আগে ২৭ বলে দুইটি চার আর তিনটি ছক্কায় ইনিংস সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন তিনি।
নাসিরের পরের বলে ছক্কা হাঁকান মাদজিভা। তৃতীয় বলে দুই রান নেন তিনি। চতুর্থ বলে আবারো চার মারেন মাদজিভা। পঞ্চম বলে লংঅনে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ১৯ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকা মাদজিভা।
সিটিজি বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন
নির্ভরযোগ্য সংবাদপোর্টাল Bangladesh Popular Online Newspaper In Action
