মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৫
সিটিজিবার্তা ২৪ ডটকম
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ছয়টি ফার্মেসীকে জরিমানা প্রদান এবং ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার অপরাধে কামরুল ইসলাম নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ভর্তিষ্যতে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা না করার মুচলেকা দিয়ে ছাড় পেয়েছেন।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিনের নেতৃত্বে নগরীর বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু ও বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
রুহুল আমিন টেকনাফবার্তা ২৪ ডটকমকে জানান, কোন সনদ না থাকা সত্ত্বেও ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে বাংলাবাজার এলাকায় লাকী ফার্মেসিতে চিকিৎসা সেবা দেওয়ায় কামরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এতে তিনি লিখেছেন, ‘আমি ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে অপরাধ করেছি। আগামীতে এমন কাজ আর করবো না।’
একটি কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করে ৮ মাসের একটি কোর্স নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিল বলে জানান নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট।
এদিকে একই অভিযানে ৬টি ফার্মেসিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি ওষুধ, নিষিদ্ধ এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির দায়ে এ জরিমানা করা হয়েছে।
রুহুল আমিন জানান, সরকারি ওষুধ বিক্রির দায়ে মের্সাস মীরা মেডিকেল হলের মালিক ঝন্টু দে কে ৩০ হাজার, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ও ভারতীয় ওষুধ বিক্রির দায়ে মেসার্স বাবা মালেক শাহ ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
লাইসেন্স না থাকার অপরাধে নির্ঝর মেডিকেল হল, পপুলার ফার্মেসি, শাহ আমানত ফার্মেসি ও কাদেরিয়া ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। লাইসেন্স না নেওয়া পর্যন্ত এসব ফার্মেসি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।











































