রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
স্পোর্টস ডেস্ক : ওয়ালটন টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ৪২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চার ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০তে এগিয়ে গেল লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।
খুলনায় আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ১৬৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় স্বাগতিকরা। জবাবে সাব্বিরের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৮ উইকেটে ১২৫ রান করে জিম্বাবুয়ে। অল-রাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচ সেরা হয়েছেন সাব্বির রহমান।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুভ সূচনা করেন টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রেকর্ড ওপেনিং জুটি গড়ে, দলীয় ৪৫ রানে আউট হন তামিম। এরপর দারুণ খেলতে থাকা সৌম্য ৩০ রানের জুটি গড়েন সাব্বিরের সঙ্গে। ৩৩ বলে ৪৩ রান করে আউট হন সৌম্য।
এরপর মাহমুদুল্লাহ এক রানে ফিরে গেলেও, বড় জুটি গড়ার ইঙ্গিত দেয় সাব্বির-মুশফিক। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৪ রানে মাংসপেশিতে টান লেগে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশি। শেষ পর্যন্ত সাব্বিরের ঝড়ো ৪৩ ও সাকিবের ২৭ রানের ক্যামিওতে ১৬৭ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত সূচনাও পায় জিম্বাবুয়ে। ওপেনিং জুটি থেকেই তারা ৫০ রান তুলে নেয়। তবে, ইনিংসের সপ্তম ওভারে মাশরাফি বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন ভুসি সিবান্দাকে (২১)। মাশরাফি জিম্বাবুয়ের ওপেনার সিবান্দাকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর সাব্বির বোলিং আক্রমণে এসে ফিরিয়ে দেন আরেক ওপেনার মাসাকাদজাকে (৩০)।
সফরকারীদের তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে দলীয় ৬৫ রানের মাথায়। শুভাগত হোমের বলে এলবির ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ৭ রান করা শন উইলিয়ামস। পরে মুতুম্বামিকে ফিরিয়ে দেন সাব্বির।
দলীয় ১৬তম ওভারে আক্রমণে এসে আল আমিন হোসেন ফেরান ২১ বলে ২৯ রান করা ম্যালকম ওয়ালারকে। পরের ওভারে মুস্তাফিজ বোল্ড করে স্টাম্প উড়িয়ে দেন মাদজিভার। একই ওভারে মুস্তাফিজ ক্লিন বোল্ড করেন পিটার মুরকে।
টাইগারদের হয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন সাব্বির। মুস্তাফিজ পান দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট পান শুভাগত, আল আমিন আর মাশরাফি।
এর আগে প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী জয় পায় টাইগাররা। স্প্রিং বকদের ৮ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে হারায় লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। দুই দলের মুখোমুখি সাতবারের দেখায় জয়ের পাল্লা টাইগারদের দিকেই। সাত টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ৫টিতেই জিতলো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মতুর্জা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), শুভাগত হোম, মুস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন।
জিম্বাবুয়ে দল: হ্যামিল্টন মাসাকাদজা (অধিনায়ক), ভুসি সিবান্দা, পিটার মুর, শন উইলিয়ামস, গ্রায়েম ক্রেমার, ম্যালকম ওয়ালার, ব্রায়ান ভিটোরি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, মাদজিভা ও মুজারাবানি।

