নিজস্ব প্রতিবেদক । ১১ জুলাই ২০১৬

ইউরো ২০১৬ ফাইনালে ম্যাচের ২৫ মিনিটের মাথায় ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছেড়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা পর্তুগীজ উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি ফ্রান্স ও পর্তুগালের ফাইনাল ম্যাচের ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩ মিনিট পরেও গোলশূন্যভাবে রয়েছে। খেলার মাত্র ২৫ মিনিটেই দলের সেরা তারকা অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে হারিয়েছে পর্তুগিজরা। ইনজুরির কবলে পড়ে নিজে কাঁদলেন এবং কোটি কোটি ভক্তদেরকে কাঁদিয়ে মাঠ ছেড়েছেন এই পর্তুগিজ তারকা।
রবিবার (১০ জুলাই) প্যারিসের সেন্ট ডেনিস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় খেলাটি মাঠে গড়ায়।
প্রথমবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলতে পর্তুগালের কোচ ফার্নান্দো সান্তোস তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে দল সাজিয়েছেন। অন্যদিকে ফ্রান্সকে তৃতীয়বারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট পরাতে একঝাঁক তারকাপূর্ণ দল নামান দিদিয়ের দেশম।
খেলার চতুর্থ মিনিটে ক্ষুরধার এক আক্রমণে যায় পর্তুগিজরা। সেদরিক সোয়ারেসের লম্বা পাস বুক দিয়ে দারুণভাবে রিসিভ করেও লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে সুযোগ হাতছাড়া করেন পর্তুগিজ উইঙ্গার নানি।
এরপর সপ্তম মিনিটে ব্লেইস মাতুইদির পাস থেকে বল পান টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় অ্যান্তনি গ্রিজম্যান। তার বাঁপায়ের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচের দশ মিনিটে পর্তুগিজ গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিও ফরাসিদের গোলবঞ্চিত করেন। পায়েটের ক্রস থেকে উড়ে আসা বলে জোরালো হেড করেন ফরাসি স্ট্রাইকার অলিভার জিরুড। ঝাঁপিয়ে পড়ে তার শট রুখে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক।
ম্যাচের ২৫ মিনিটে সমর্থকদের হতাশায় ডুবিয়ে রেখে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন পর্তুগালের সেরা খোলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মাঠভর্তি পর্তুগিজ সমর্থকরা বেদনায় নীল হয়ে ওঠেন। কোচ ফার্নান্দো সান্তোস তার বাজির ঘোড়া রোনালদোর পরিবর্তে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামান রিকার্দো কুয়ারেসমা।
রোনালদো বিহীন পর্তুগালকে চেপে ধরে আক্রমণ শানাতে থাকে ফরাসিরা। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে মুসা সিসোকোর দুর্দান্ত শট ঠেকিয়ে দিয়ে আবারো পর্তুগালের ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন গোলরক্ষক প্যাট্রিসিও।
খেলার ৩৪ মিনিটেই দিমিত্রি পায়েটকে অবৈধভাবে ফাউল করায় ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন সেদ্রিক সোয়ারেস।
রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকা পর্তুগিজরা পাল্টা আক্রমণে গোল করার সুযোগ পায় ৩৯ মিনিটে। ডিবক্সের ভেতর থেকে হেড করে গোল করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি হোসে ফন্তে। তার হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বিরতির আগে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ বঞ্চিত হয় পর্তুগাল।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ফ্রান্সের আক্রমনের ধার বাড়লেও বার বার গোলে নেওয়া শর্ট প্রতিহত করেন পর্তুগীজ গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিও।


You must log in to post a comment.